বেকার সনদ

বেকার সনদ

বেকার সময় মধ্যগগন বেকার মানেই পাপী,
বেকার পড়াশোনার মানেই বেকারত্বের ঝাঁপি,
বেকার পড়াশোনা কেন? বলছি শোন তবে…
বেকার কারন, ধর্নাযোগেই চাকরী মেলে ভবে,
বেকার কারন, রাজারনীতির লাল নিয়নের কোটা…
বেকার কারন, দলীয় করন – ভোটের পকেট মোটা,
বেকার কারন, সেই বেকারের মামা বিহীন আসন,
বেকার কারন, মুদ্রানীতির ছল – ”প্রণামীর বাসন”।
.
বেকার মাঝি বেয়ে চলে বেকারত্ব খেয়া…
বেকার ভালোবাসার ফাঁকি অন্ধ নেয়া দেয়া,
বেকার ভালোবাসা কেন? বলছি শোন তবে…
বেকার কারন, শূন্য পকেট আবেগবিহীন হবে,
বেকার কারন, যোগ্যতাতেই সাজে প্রেমের পিঁড়ি,
বেকার কারন, বেকার সনদ ভাঙছে বেকার সিঁড়ি…
বেকার কারন, প্রেয়সী চায় নিরাপত্তা চাঁদর…
বেকার কারন, ভালোবাসার নিক্তি ”টাকার আদর”।
.
ঠোংগা হাসে, কারন বেকার ফালতু ঠোংগা কবি…
মধ্যগগন চেতনাতে — ফালতু এখন সবই ।

ঘুন

ঘুন

শ্রমিকের হাতুড়ি, কৃষকের কাস্তে…
উদিচির শোরগোল সবই গেল ভেস্তে,
ইউনিয়ন হয়ে যায় লালে লাল আকসার…
লাল লাল পতাকার প্রেমহীন বক্সার,
সব কিছু হারিয়ে এমনকি লক্ষ্য…
হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে নেতারাই ভোগ্য,
আমাদের দোষ কি হতাশার আকালে…
যখন সন্ধ্যা নামে অসময় বিকেলে,
তবুও স্বপ্ন আঁকা ঘুমন্ত কপোলে…
কি আর নিয়তি বলো আঁকা ছিল কপালে,
মাঝে মাঝে নির্ঘুম রাত কাটে সকালে…
যাই নি সে দিন যবে মিটিং এর হেসেলে;
.
জানি আজও গাল শুনি হতে সবই ভুলেতে …
আসলে কোনটা ভুল?সে দিন?না মূলেতে ??
রাত জাগা ঠোংগার ঘুম চাই তরলে …
মাঝে মাঝে কেনও যেন নিশি কাটে গরলে।

একটি ঠোংগা বিলাপ

একটি ঠোংগা বিলাপ

গহীন নক্ষত্রের রাতে… একাকী সময়ে …
……… মধ্যরাতের ছায়া মানবী চন্দ্র-প্রহরী…
কিছু অভিমানী স্মৃতির নীলাভ শৃঙ্খল…
……… ওই দু চোখ হারিয়ে যেয়েও ফিরে আসে।
.
ধ্রুপদী নৃত্যের মায়াবী অধরের…
চারুশিল্পের অস্পৃশ্য অম্বরে,
চন্দ্র নৃত্যের কামুক কলায়…
আগুনলালে সর্বগ্রাসী বাঁকা চন্দ্রে,
এখনো অন্তরালে খেলে…
তৃষ্ণার্ত মায়াজালের তীব্র তাচ্ছিল্য!
.
মেঘের আনাগোনা এখনো কপোল কুন্তলে…..
এখনো নিরব তরঙ্গে ভাসে বিমূর্ত আহবান;
সিক্ত ছোঁয়ায় বিবর্তনের কৃষ্ণকালো আঁখি,
এখনো চোখ ধাঁধায় আলোকিত ডানাহীন মুখশ্রী।
.
………….আবার নতুন ক্ষত পুরনো আমেজে ………
………….এখনো সীমাহীন উদ্ধত অহংকার…………
………….এখনো সিক্ত করে হৃদয়ের স্পন্দন………….

বিজয় নগর

ফিনকি ফোটা জোছনার আলোকে…
বর্তমান ধরা দেয় স্বপ্নের আবর্তে,
অনন্ত অম্বর মুছে ফেলে অতীত বিদ্বেষ…
সূর্যের প্রখরতা ম্লান হয় চন্দ্রের কোমল স্পর্শে,
দোদ্যুল্যমান জীবনে নেমে আসে …
শ্রান্তির অবিরাম ধারা।
.
মুক্ত চেতনার দৃঢ় হাতছানি…
হতে হবে অভয় নগরের যাত্রী,
তবুও, মিশ্র ভালবাসার প্রাচীন শৃঙ্খলে..
আবদ্ধ ” অন্ধ নগর ”…
.
মুছে দিতে চায় সুকঠিন অর্জন,
বহুদুর যেতে হবে…
হাজার বছরের নাগরিক চেতনার
নগর থেকে নগরায়ন,
চেতনার সুনির্দিষ্ট লক্ষে ধাবমান…
যেন গ্রহ থেকে গ্রহান্তর…
যেন স্বপ্নের হাতছানি।