হুলিয়া

হুলিয়া

নীলাভ শাড়ির শৃঙ্খলে বাঁধা দেয়াল,
বালুতটে পায়েল তন্ত্রীতে আঁকা খেয়াল,
কাছে ডেকো না ওহে নন্দিনী তমা…
হৃদয় বন্দী আমি… করেছো তো ক্ষমা ?

তোমার গভীরে আজ কাশফুল মাঠ,
আর আমি ? …এখন মৃত কাঠ,
বয়স মধ্যাকাশে সতেজ গভীরে…
কিন্তু কপঠ প্রথাগত বাধায় স্থবিরে;

উড়ে যাও উড়ে যাও নীল প্রজাপতি,
আমি বাই ফুটো নাও ডোবে প্রানপতি,
ঠোংগার ডানাকাটা নীল নীল আলেয়া…
এখন বিরহকাল পেছনেই হুলিয়া…

জনম জনম

জনম জনম

”নারী” মানেই হৃদয় খুঁড়ে প্রস্থানেতে…
নারীর আসন গহীন–স্থানে,অস্থানেতে,
নারী মানেই ব্যাকুল হাতে প্রেমের থালা,
নারী মানেই নীলচে ব্যাথার প্রনয় জ্বালা..
.
”পুরুষ” মানে ট্রয়ের হেলেন স্বপ্নকামী…
”পুরুষ হৃদয়” হেলেন যেথা স্বপ্ন গামী,
………পুরুষ মানেই রক্তক্ষয়ে সীতা বরন…
………হাজার প্রেমের বলিদানের জয়ী চরন,
পুরুষ হোল অগ্রগামী প্রথম চয়ন…
মজনু হাজার অন্তিমেতে করাল শয়ন।
.
মাতৃ-রূপেন নারী প্রসব যন্ত্রণাতে…
মাতৃ রুপেই নারী বধেন সন্তানেতে,
………রমণী রমন ভ্রান্তি রুপেই অকালবোধন…
………রমণী চেতন কল্পনাতেই রাজ্য পতন,
ষোলকলায় পঞ্চভূতে রইলো মেতে…
পঞ্চভুতের খড়গ যখন দ্রুপদ হিতে।
.
দোষ পুরুষের, কারন রাধার হৃদয় হরন…
পুরুষ দোষেই বৃন্দাবনে রাধা বরন;
দেখলো সবাই কূল হারানো আকুল মরন…
জানলো না কেউ কালোর হৃদয়, রক্ত ক্ষরন।
.
পুরুষ দোষেই আজন্ম পাপ ঠোংগা হৃদয়,
নারীর কারন পুরুষ রুপেই স্বপ্ন সদয়।

মেঘের ডানায় রোদ

মেঘের ডানায় রোদ

হলেও হতে পারতে তুমি বৃষ্টি ভরা মেঘ,
হলেও হতে পারতাম আমি মেঘের ডানায় রোদ,
হলেই কি বা ক্ষতি হতো জড়ানো আবেগ,
কিংবা যদি এলোমেলো কষ্ট মাখা বোধ।
.
অথবা কোন দূর রোদ্দুর ডানা মেলা চিল,
হয়তো তোমার হাতের কাঁকন পঞ্চমুখী ঢেউ,
হয়তো মনের অভিমানের সংগোপনের খিল,
হলেও হতে পারতে তুমি খুবই কাছের কেউ।
.
হয়নি কিছুই, হয়েছে যা ব্যাথার কাব্য-গাথা,
ভুল করে লাল হয়ে গেছে নীলাভ ঘাস ফুল,
ভুল করে মন যাঁতাকলে নীলচে হলুদ ব্যাথা,
পথ ভোলানো অচিনপথে দিক হারানো কূল।
.
মরছে সময় নাম বদনাম হলুদ রঙের জল্পনায়..
ঠোংগা কবি ভাসছে এখন সিঁদুর রাঙা কল্পনায়।

নীলচে

নীলচে

মনের ভেলায় মনে মনেই ভাসাই খেয়া,
গুপ্ত খেলায় সাধুবাদ এই ধোঁকা দেয়া…
নীলচে প্রেমের মরচে চিঠি মরছে খামে,
মিথ্যে মায়ায় ভুলছে কতই মিথ্যে নামে।
.
তবুও কেন চোখের কোনে ভেজা জলে…
অতীত যেন নাচছে আজো খলের মলে;
নীলচে ব্যথায় হৃদয় যখন হচ্ছে আকুল…
মনের বিকেল অহরহই হচ্ছে ব্যাকুল।
.
ঠোংগা কবির ঠোংগা কথন চলছে, চলে…
কাব্য খাতায় রসিকতার ধোঁকার ছলে…
সেই বিকেলে তোমার ফিরে চলে যাওয়া…
সেই দুখেতেই হয়নি সেদিন নাওয়া খাওয়া ।